পতিতা দিয়ে সাংবাদিকের নগ্ন ভিডিও ধারণ করেন ওসি প্রদীপ!

 

সময় বড়ই অ'দ্ভুত! কখন যে কি হয়ে যায় কে'উ জানে না। টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ'কুমার দাশের কথাই ধ’রা যাক না কেন? তিনি কী’ ভেবেছিলেন কা'রাগার হবে তার ঠিকানা।

নানা কসরত করেছেন। কি'ন্তু রেহাই মেলেনি। শেষ পর্যন্ত অবসর'প্রাপ্ত সে’না কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ হ’ত্যায় জড়িয়ে গেছেন। এখন প্রতি'দিনই প্রকাশ হচ্ছে তার অ’পকর্মের ফিরিস্তি। সোশ্যাল মিডিয়াতে'ও বিস্তর চর্চা হচ্ছে তা'কে নিয়ে।

কক্সবাজারের সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা'কে ফাঁ’সাতে পতিতা দিয়ে জোর'পূর্বক ন’গ্ন ভিডিও ধারণ করিয়েছিলেন টেকনাফ থা’নার সাবেক ওসি প্রদীপ'কুমার দাশ। সাংবাদিক'কে ফাঁ'সাতে ৬টি মাদক' ও অ'স্ত্র মামলা সাজিয়ে গ্রে'ফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছিল প্রদীপ'কুমার।

এ বিষয়ে গণ'মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ওসির করা পতি’তা দিয়ে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার নগ্ন'ভিডিও সামাজিক যোগা'যোগ মাধ্যমে ভাই’রাল করা হবে এই আতঙ্কে ভুগছেন তার পরিবার।
এই ভিডিও ভাই’রাল করে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা হলে সাংবাদিকের সাথে করা ও'সির অমানবিক কর্ম'কাণ্ড মুখথুবরে পড়বে অথবা ভিন্ন দিকে প্র'বাহিত হতে পারে বলেও মনে করছেন সাংবাদিক পরিবার।

প্রসঙ্গত, সাংবা'দিকের সুখের সংসারে ওসি প্রদীপের ভয়াল থাবা! শিরো'নামে একটি অনুসন্ধানী প্র'তিবেদন বিডি২৪লাইভে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে বলা হয়, কক্সবাজারের টেকনাফ থা’নার সাবেক ওসি প্রদীপ'কুমার দাস ও কক্সবাজারের এসপি মাসুদ হোসেনের রোষানলে সর্বনাশ নেমে এ'সেছে স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা ও তার পরিবারে।
এসপি ও ওসির যোগসাজশে টেকনাফ থা’নায় ৩টি মাদক' মা’মলা এবং কক্সবাজার সদর থা’নায় আরো ৩টি মাদক' ও অ’স্ত্র মা’মলার আ’সামি হয়েছেন সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা। টেকনাফে মা’মলার পর ক্ষান্ত হয়নি পু’লিশ। ফরিদুলকে পু’লিশ ঢাকা থেকে বিনা ওয়ারেন্টে আ'টক করে কক্সবাজার সদর থা’নায় মা’মলা সাজিয়ে আ’সামি করে বলে অ'ভিযোগ তার পরিবারের সদস্যদের।

সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার স্ত্রী’ হাসিনা মোস্তফা বিডি২৪লাইভকে জানান, এসপির নির্দেশে ওসি প্রদীপের নেতৃত্বে আমা’র স্বামী'কে বিনা দোষে আ'টক করে প্রথমে দশ লাখ টাকা দাবি করে পু’লিশ। আমার স্বামী' এসপি ও ওসির বি’রুদ্ধে মা’দক সংশ্লিষ্ট, গ্রে’ফতার বাণিজ্য ও অনিয়মের সাংবাদ প'ত্রিকায় প্রকাশ করেন।
এতেই ক্ষি'প্ত হন এসপি ও ওসি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ'হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফরিদুলের স্ত্রী’ হাসিনা মোস্তফা বলেন, স্বামী'কে জামিনে মুক্ত করতে নিজের বাড়িঘর-জমিজমা সর্বস্ব বিক্রি করে দিয়েছি।

এখন নিঃস্ব হয়ে আত্মীয়'স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি আমি ও আমাদের দুই ছেলে এবং এক মেয়ে। প্রধান'মন্ত্রী আপনি ছাড়া আমাদের র'ক্ষা করার কেও নেই। আপনি বঙ্গবন্ধু কন্যা আপনিই পারবেন আমাদের রক্ষা করতে।
এলাকাবাসী, সহ'কর্মী সাংবাদিকদের সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারে ফরিদুল মোস্তফা খান ১ জন নিরপেক্ষ ও মেধাবী সাংবাদিক হিসাবে সুপরিচিত। কৈশর থেকেই লেখালেখি'তে অভ্যস্ত। দৈনিক কক্সবাজারবাণী ও জনতার'বাণী ডটকম তার প্রকাশিত প'ত্রিকা।

আজ তিনি এগার মাস ধরে বিনা দোষে কারা'জীবন ভোগ করছেন। কক্সবাজারের এসপি ও টেকনাফ থা’নার সাবেক ওসি প্রদীপ'কুমার দাশের রোষানলে পরে ছয়টি মিথ্যা মা’মলার আ’সামি।
তার জামিন করাতেও ব্যর্থ হয়েছেন পরিবারের লোক'জন। ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ৩ ছেলে-মে’য়ের পড়ালেখা। স্ত্রী, তিন সন্তান ও বৃদ্ধ মায়ের চরম অ'ভাব অনটনে দিন কাটছে।

স্ত্রী’ হাসিনা মোস্তফা জানালেন, তার স্বামী সত্য ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ করতেন। এসপি ও ওসি প্রদীপের বিচার বহির্ভূত হ’ত্যাকা- ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে লিখে গেছেন। তাই তাকে পরপর ছয়টি মা’মলা দেয়া হয়েছে।
তার স্বামীর চোখে এবং পায়ুপথে গুড়া মরিচ ঢেলে দিয়েছে ওসি প্রদীপ। এতেও ক্ষান্ত হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট দিয়ে যৌন'শক্তি ন'ষ্ট করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। অর্থাভাবে কারা'গারে ঠিক মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না। একটু দেখা করতে অনেক ভোগান্তি পেতে হয়।

ফরিদুল মোস্তফার মেয়ে সুমাইয়া মোস্তফা খান জানিয়েছে, তাদের পরিবারের কারো বি’রুদ্ধে কোন মা’মলা নেই। তারা কখনো অ’পরাধে জড়াননি। সংবাদ প্রকাশ করার কারণেই ষড়'যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বাবা।
ওসি প্রদীপের নির্মম নি’র্যাতনে বাবার চোখ দুটি অন্ধ হওয়ার উপক্রম, ডান হাত এবং পা ভাঙা, আঙুল থেঁতলানো। ছোট ছেলে সাদেক মোস্তফা জানান, বাবাকে ফিরে পেতে চাই। বাবাকে ছাড়া ঘু'ম আসে না।

হাসিনা মোস্তফা বলেন, আমার স্বামী'কে হয়রানি না করতে হাই’কোর্টে রিট করেছিলাম। ঐ রিট আ’দালতের নির্দেশে পিবিআই ত’দন্ত করছে। ৮ মাস ধরে পিবিআই কার্যালয়ে ফাইল পড়ে আছে। ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এসপি ও ওসি প্রদীপের কা'রণে আমাদের জীবনে নেমে এসছে অন্ধকার। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ